গঠনমূলক রাজনীতি না করলে বিএনপি পালানোর পথ পাবে না- শেখ পরশ

রাজনীতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৬:০৮:৫২পিএম, ২২ জুন, ২০২৩
ছবি: জই

৫ জুন  বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে কাজী বশির মিলনায়তন (মহানগর নাট্যমঞ্চ, গুলিস্থান) প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি। সঞ্চালনা করেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

উদ্বোধক ও সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, বিএনপি-জামাত সম্পূর্ণরূপে একটা জনবিচ্ছিন্ন এবং কুখ্যাত সন্ত্রাসী দল, যারা মানুষ হত্যা করতে সিদ্ধহস্ত। ১৯৭১ এ জামাত গণহত্যা চালিয়েছে বাঙালির উপর, ৭৫ এ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু পরিবারের উপর বেপরোয়া হত্যাকাণ্ডের হোতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছে। ৭৮ থেকে ৭৯ তেও হত্যাকাণ্ড সমূহেরও হোতা জিয়াউর রহমান। নিকট অতীতে ২০০১ সালে জোট বেধে বিএনপি-জামাত আওয়ামী লীগ নিধনে নেমে হত্যাকা- চালিয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রায় ২৫ হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থকদের হত্যা করেছে। আর ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে বিএনপি-জামাতের কুখ্যাত জঙ্গি-সন্ত্রাসী জোট সরকারের তা-বতো আপনাদের মনে থাকার কথা। সুতরাং, খুন, হত্যার রাজনীতির ক্ষেত্রে এদের উদ্দেশ্য এবং অভিলাস ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নাই। এরা শুধু হত্যা, ক্যু এবং সন্ত্রাসই করতে জানে, জনগণের জন্য কিছু করার মুরদ নাই।

এখন ক্ষমতা দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে গেছে! আমি তাদেরকে বলবো, এখনো সময় আছে মানুষের পাশে দাঁড়ান, গঠনমূলক রাজনীতিতে মনোনিবেশ করেন, তা না হলে এদেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবে না। আপনারা পালানোরও পথ খুঁজে পাবেন না। আপনাদের এক শীর্ষ নেতাতো ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি। আর এক সাজাপ্রাপ্ত শীর্ষ নেত্রীও পালানোর পথ খুঁজছেন বিভিন্ন অজুহাতে।

আপনাদের এই সকল নিম্নমানের রাজনীতি আজকের প্রজন্ম বুঝে। তাই এদেশের জনগণ আপনাদের সাথে নাই এবং একারণেই আপনারা এখন পর্যন্ত সকল আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি সারাদেশের যুবলীগের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান জানাবো যে, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে। নামে মাত্র দায়সারাভাবে গাছ লাগাবেন না, গাছের পরিচর্যাও প্রয়োজন।

এমন জায়গায় লাগাবেন না-মানুষের যাতায়াতের পথের মথ্যে পরে-যে পরের দিন মানুষজন গাছটা তুলে ফেলতে বাধ্য হয়। গাছ শুধু লাগালে হবে না, গাছ বাচাতেও হবে। গাছে যত্ন নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “শুধু গাছ লাগালে হবে না, গাছ যাতে টিকে থাকে সে জন্য যত্ন করতে হবে। সেই গাছ একদিন ফল দেবে, কাঠ দেবে বা ওষুধ দেবে; আপনারা নানাভাবে উপকৃত হবেন”। আমাদেরকেই আমাদের পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। এই দেশ আমাদের। আজকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে, আমাদের সবুজ বাংলাকে আরও সবুজ রঙে আঁকতে হবে। সুতরাং মনে রাখবেন, শুধু গাছ লাগালেই চলবে না, গাছের যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। গত ২ বছরে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা ১ কোটিরও বেশি বৃক্ষরোপণ করেছি। এবারও আমাদের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে।

গত ৫ জুন, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে “বিশ্ব পরিবেশ মালা-২০২৩ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান বৃক্ষমেলা-২০২৩ এর শুভ উদ্বোধন করেছেন। সুতরাং এটা শুধু একটা কর্মসূচি না, এটা বৃক্ষরোপণ অভিযান। এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ড-ইউনিয়ন-পৌরসভা-উপজেলা-জেলা ও মহানগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করবে।

এখনি বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত সময়: আষাঢ়-শ্রাবণ এবং ভাদ্র মাস। তবে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। কারণ শুধু বৃক্ষরোপণ করলে চলবে না, বৃক্ষ পরিচর্যা করতে হবে সারা বছর। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশে পরিবেশ সুরক্ষায় যুবলীগ সর্বদা মাঠে থাকবে।

আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বৃক্ষরোপণ, তথা উন্নত প্রাকৃতিক পরিবেশের কোন বিকল্প নাই। তিনি আরও বলেন, আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যার সরকার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে একটি সফল সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করেছে।

যে আন্দোলনে ইতোমধ্যে সারা বাংলার যুবসাজ একত্মতা প্রকাশ করছে। সরকারের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সময় সারাদেশে ৫২,০০০ একর বনভূমি এবং উপকূল বরাবর ৪০,০০০ একর বনভূমি তৈরি করা হয়েছে। দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার সময় ১৩,০০০ একর জমিতে নতুন বন তৈরি করা হয়েছে। প্রায় ১৫,০০০ হাজার এক জমিতে নতুন বন তৈরির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের যুবসমাজ ঝাঁপিয়ে পড়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে; জনগণ একটা উন্নত পরিবেশ বান্ধব স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আওয়ামী লীগের পতাকা তলে একত্রিত ও সঙ্ঘবদ্ধ হয়েছে।

এই দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ আয়োজিত দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৩ এর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের জন্ম বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে তার সুযোগ্য ভাগ্নে শহীদ ফজলুল হক মণি’র হাত ধরে। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। আপনারা জানেন ৬ দফা ঘোষণার পরে আওয়ামী লীগের অনেক নেতারাই বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে সরে এসেছিল, কিন্তু ছাত্রলীগ সরেনি। কারণ ছাত্রলীগ তখন যা করতো আমাদের মণি ভাইয়ের নির্দেশেই করতো।

এই ৬ দফাকে জনপ্রিয় করে তোলার পিছনে মণি ভাইয়ের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি আরও বলেন, মণি ভাই থাকতেন জহুরুল হক হলে। আমরা তার সাথেই থাকতাম এবং তিনি যা বলতেন তা আমরা মেনে চলতাম। কারণ মণি ভাইয়ের নির্দেশনা মানেই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা। স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু যাদের উপর ভরসা রেখেছিলেন তাদের মধ্যে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণি অন্যতম।

তিনি হলেন এই যুবলীগের সূর্য সন্তান। আপনারা তারই প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি আরও বলেন, বৃক্ষরোপণ অবশ্যই করবেন। আপনারা না করলে কারা করবে। বঙ্গবন্ধু যে সোনার ছেলেদের কথা বলতেন সেটা মূলত ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের ভাই-বোনদের উদ্দেশ্য করেই বলতেন। তিনি জানতেন যুবকরাই এই দেশের চেহারা পাল্টে দিতে পারে। যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে সুন্দর করে তোলার স্বপ্ন আপনাদের নিয়েই দেখতেন। তিনি উপস্থিত যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তি ও ষড়যন্ত্রকারী, ৭৫’এর ষড়যন্ত্রকারীরা, ২০০১ সালের ষড়যন্ত্রকারীরা, ২০১৩-১৪ ও ২০১৮ সালের ষড়যন্ত্রকারী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে আবারও মাঠে নেমেছে। সামনে নির্বাচন, এই নির্বাচনে আপনাদেরকে অতন্দ্র প্রহরীর মতো পাহাড়া দিতে হবে। আজকে যে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত বিপর্যয় এর দায় কিন্তু উন্নত দেশের আমাদের নয়। তারপরেও পরিবেশকে বাঁচাতে বৃক্ষরোপণ করতে হবে, এর কোন বিকল্প নাই।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি বলেন, আমরা এখন বিভিন্ন সভা-সেমিনারে পরিবেশ নিয়ে কথা বলি, নানা ধরণের সচেতনতামূলক প্রচারণা চালায়। কিন্তু আমাদেরকে এই পথ দেখিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশে পরিবেশ রক্ষায় নিয়মিত কর্মসূচি করেছেন, পরিবেশ সুরক্ষায় আইন প্রণয়ন করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, একটি গাছ বড় করতে যতটা কঠিন কাটতে খুবই সহজ। একটি গাছ বড় হতে কত বছর সময় লেগেছে আর আপনি মুহূর্তের মধ্যে কেটে ফেলছেন। অনেকে আবার একটির পরিবর্তে ৩টি গাছ লাগান ঠিক আছে, লাগানোর পরে সে গাছ কি সুস্থভাবে বড় হচ্ছে। তার পরিচর্যা কি করছেন সে দিকে কি খেয়াল রেখেছেন? রাখেন না, খেয়াল রাখতে হবে।

সঞ্চালকের বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে আমরা নিজেদের অর্থ-সময় ব্যয় করে এই বর্ষার মৌসুমে প্রতি বছর বৃক্ষরোপণ করে থাকি। করোনার মহামারির সময়ও বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশের পরিবেশের কথা ভুলে যাননি। তিনি নেতা-কর্মীদের অন্তত ৩টি করে গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন। যার ফলে সেই সময়ে সারাদেশে প্রায় ৪০ লক্ষ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

গত ২ বছরে ১ কোটিরও অধিক বৃক্ষরোপণ করেছে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। আমরা যখন বৃক্ষরোপণ করার মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা করছি তখন দেশবিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী শত্রুরা বিএনপি-জামাত পরিবেশ ধ্বংসে মত্ত হলো।

২০১৩-২০১৪ সাল বিএনপি-জামাত একটি দিকে মানুষেকে পুড়িয়ে মারলো, স্কুল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিলো অন্যদিকে হাজার হাজার গাছ কেটে রাস্তার উপর ফেলে রাখলো, বৃক্ষনিধন করলো। তিনি আরও বলেন, আমরা যখন করোনার সময় রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে জীবনের ঝুকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদেরকে সহায়তা করেছি, ফ্রি-অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে, অক্সিজেন দিয়ে, খাদ্য দিয়ে। অন্য দিকে বিএনপি-জামাত করোনার সময় মানুষের পাশে না গিয়ে, খাদ্য সহায়তা না দিয়ে, ৩১ কোটি টাকা দিয়ে লবিষ্ট নিয়োগ করেছে দেশের বিরুদ্ধে।

এটাই বিএনপির চেহারা। আজকে সেন্টমার্টিন নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেছেন; শেখের বেটি দেশ বিক্রি করে, সেন্টমার্টিন বিক্রি করে ক্ষমতায় থাকতে চান না। আমরা এদেশের মানুষকে ভালোবাসি, এদেশের মানুষই আমাদের শক্তি। যারা দেশ নিয়ে দেশের মানুষকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিবে যুবলীগ।

এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারিছ মোঃ শেখ সাগর, উপ-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সামসুল ইসলাম পাটোয়ারী, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।
আরও উপস্থিত চিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান পবন, মোঃ নবী নেওয়াজ, মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, তাজউদ্দিন আহমেদ, মোঃ আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোঃ মাজহারুল ইসলাম, ডা. হেলাল উদ্দিন, মোঃ সাইফুর রহমান সোহাগ, মোঃ জহির উদ্দিন খসরু, আবু মুনির মোঃ শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, মশিউর রহমান চপল, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানাসহ কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। - জই