শীতের পোশাক তৈরিতে ব্যস্ততা বেড়েছে চিরিরবন্দরে

বাংলাদেশ
এনামুল মবিন সবুজ, দিনাজপুর প্রতিনিধি
১১:১৮:৩৬পিএম, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩
কারখানার সেলাই মেশিনের শব্দই বলে দিচ্ছে কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। ছবি : জনতার ইশতেহার

দিনাজপুর চিরিরবন্দরে চলমান শীত মৌসুমে ক্ষুদ্র পোশাক কারখানাগুলোতে শীতের পোশাক ও শীতবস্ত্র তৈরিতে শ্রমিকরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রানীরবন্দরে বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা ১৫-২০টি মিনি গার্মেন্টস মালিকরা এখন শীতের পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। মুসলমানদের দুই ঈদ, শীত মৌসুম ও গরমের ওপর নির্ভর করে রাজধানী ঢাকা থেকে কাপড়সহ অন্যান্য কাঁচামাল এনে পোশাক তৈরি করেন এসব ক্ষুদ্র পোশাক শিল্পের সাথে জড়িতরা। শীত আসার পূর্বেই বাজারে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে পোশাক উৎপাদনে মনোযোগী হন শিল্পের সাথে জড়িত শ্রমিকরা। 

জানা যায়, এসব কারখানায় শ্রমিকদের দিয়ে পোশাকগুলোতে বিভিন্ন ধরনের আকর্ষণীয় ডিজাইন আর সেলাই মেশিন দিয়ে সেলাই এবং হাতের কাজ করা হয়। শীতের মৌসুম চলে আসায় অধিকাংশ কারখানায় এখন তৈরি হচ্ছে শীতের পোশাক। এসব কারখানায় তৈরি হওয়া শীতের পোশাক পাঠানো হয় দিনাজপুর, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জেলার পাইকারী বাজারে। এছাড়া বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এখানে এসেও পোশাক কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

বর্তমানে পোশাক কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের কর্মব্যস্ততা তুঙ্গে। সব বয়সের মানুষের জন্য শীতবস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন কারিগররা। এসব কারখানায় শিশুদের জন্য বাহারি ডিজাইনের জ্যাকেট থেকে শুরু করে মেয়েদের জন্য হাল ফ্যাশনের শীতের পোশাক তৈরি হচ্ছে, যা শোভা পাচ্ছে দেশের বিভিন্ন শো-রুমে। প্রতিটি কারখানায় শীত পোশাক তৈরিতে যেন ধুম লেগেছে। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কারিগররা তৈরি করছেন বাহারি ডিজাইনের শীতের পোশাক। এসব কারখানায় কেউ কাপড় কাটছেন। কেউবা সেই কাপড় মেশিনে সেলাই করছেন। সব কাজ শেষে লাগানো হচ্ছে বোতাম চেইন। কেউবা তৈরিকৃত পোশাক ক্যালেন্ডার করছেন। অন্য স্থানে করা হচ্ছে ডিজাইনের অ্যাম্ব্রয়ডারির কাজ। কারখানার সেলাই মেশিনের শব্দই বলে দিচ্ছে কারিগরদের কর্মব্যস্ততা। শ্রমিকরা চাহিদানুযায়ী পোশাক তৈরি করছেন। 

গ্রামীণ শহর রানীরবন্দরে সুমাইয়া গার্মেন্টস মা গার্মেন্টসে পলাশ মহন্ত, মনির হোসেন, অহিদুল ইসলাম আনোয়ার হোসেনসহ একাধিক শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বাজার ধরতে বর্তমানে শার্ট-প্যান্ট, রেডিমেট শার্টসহ অন্যান্য পোশাক তৈরি ছেড়ে দিয়ে তারা শীতের পোশাক তৈরি করছেন। তারা শীতের পোশাক তৈরি করে থরে থরে সাজিয়ে রাখছেন।

এসব কারখানায় প্রোডাকশনের ওপর কাজ করে থাকেন। একজন শ্রমিক দৈনিক -১০টি জ্যাকেট তৈরি করতে পারেন। এতে তারা দৈনিক ৮০০-১০০০ হাজার টাকা আয় করছেন। এক জন দক্ষ শ্রমিক প্রতি মাসে ২৫-৩০ হাজার টাকা আয় করছেন। শীতের পোশাকের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্রমিকরাও ভালো মজুরি পাচ্ছেন।

সুমাইয়া গার্মেন্টসের সত্ত্বাধিকারী মোঃ শাহজাহান আলী মা গার্মেন্টসের সত্ত্বাধিকারী মোঃ আতিয়ার রহমান জনতার ইশতেহারকে জানান, সময় মতো শীতবস্ত্র মার্কেটে পৌঁছানোর জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েছেন। বিভিন্ন কারখানায়