বুয়েটের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আইইবি'র এজিএস ইঞ্জি. রনক আহসান কে হত্যার হুমকি

ক্যাম্পাস
সাদেকুর রহমান (জোহা)
০৫:০৩:৫৮পিএম, ৬ এপ্রিল, ২০২৪

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(বুয়েট) এর সাবেক শিক্ষার্থী,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক উপতথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইইবি) এর এজিএস  রনক আহসানকে মুঠোফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। 

এ ঘটনায় শনিবার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর শাহবাগ থানায় নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। যার জিডি ট্র্যাকিং নং GYZFPP জিডি নং -৩৬২ তারিখ-০৫/০৪/২০২৪।

জিডিতে রনক আহসান উল্লেখ করেন, গত ২৮ মার্চ রাতে বুয়েটের মাটি ব্যবহার করে ছাত্রলীগ কমিটি দিচ্ছে এমন একটি গুজব সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করেন আবরার ফাহাদের ভাই আবরার ফায়াজ। সেই গুজব চিহ্নিত করে ফেসবুকে পোস্ট দেন তিনি। এরপরই তাকে নিশানা করে সাইবার বুলিংসহ নানা মিথ্যাচার ছড়ানো শুরু হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার (৫ এপ্রিল) বিকেলের দিকে তাকে একটি বিদেশি ফোন নম্বর +1614-816-9152 নাম্বারটি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও স্ট্রেটে নিবন্ধিত। সে ফোন করে বলে "তোর আয়ু আছে আর সাত দিন। এই সাত দিন মন ভরে ফেসবুকে লেখ। তারপর চাপাতি দিয়ে তোর কল্লা কেটে ফেলবো।" বলে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তাছাড়াও Saqeeb Adnan (ফেসবুক আইডি) নামে বুয়েটের এক সাবেক শিক্ষার্থী আমাকে হোয়াটসঅ্যাপ এবং মেসেঞ্জারের মাধ্যমে হুমকি দেয়  বলে দৈনিক জনতার ইশতেহার কে জানান তিনি।

রনক আহসান আরও বলেন বুয়েটের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের সাথে কথা  বলে জানা গেছে সম্প্রতি বুয়েটের বিভিন্ন হল এবং ক্যাম্পাসে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহেরীর নেতাকর্মী তাদের সংগঠনের কার্যক্রম বাড়িয়ে চলেছে একই সাথে ছাত্রশিবিরের তৎপরতা চোখে পড়ার মতো। 

আমি এই নিষিদ্ধ সংগঠন নিয়ে কথা বলার কারণে তারা আমার জীবন নাশের হুমকি দিয়েছে। প্রথমে আমি বিষয়টি হাল্কাভাবে নিলেও পরে আমাকে যখন বিভিন্নভাবে তারা হুমকি দিচ্ছে তখনই আমি সিদ্ধান্ত নেই বিষয়টি আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী(পুলিশ) কে জানানো দরকার। আমি বুয়েটের একজন এলামনি, এবং বুয়েটের সাম্প্রতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করায় এরকম হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে আমি মনে করি। এহেন প্রাণনাশের হুমকিতে আমি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন এবং আমার পরিবার চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে রয়েছে।